মনীষী

দ্বিজেন্দ্রলাল রায়

দ্বিজেন্দ্রলাল রায়: বাংলা সাহিত্যের এক নক্ষত্র ও দেশপ্রেমিক

দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (ডিএল রায়) জন্মেছিলেন ১৮৬৩ সালের ১৯ জুলাই, কৃষ্ণনগরের রাজপরিবারের দেওয়ান কার্তিকেয়চন্দ্র এবং প্রসন্নময়ী দেবীর সপ্তম সন্তান হিসেবে। তাঁর ঠাকুর্দা মদনগোপাল রায় ছিলেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সেনাপতি। তাঁর পরিবারের পরিবেশ ছিল সাংস্কৃতিক এবং জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, দীনবন্ধু মিত্র প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আসা-যাওয়া ছিল নিয়মিত। শৈশবে দ্বিজেন্দ্রলাল রায় শৈশবেই গানের প্রতি আকর্ষণ […]

দ্বিজেন্দ্রলাল রায়: বাংলা সাহিত্যের এক নক্ষত্র ও দেশপ্রেমিক Read More »

আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়

আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়: ভারতীয় রসায়নের জনক ও এক মনীষী

আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, প্রখ্যাত রসায়নবিদ, শিক্ষাবিদ, শিল্পপতি ও ভারতীয় রসায়নের জনক। তিনি বেঙ্গল কেমিক্যালস অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস প্রতিষ্ঠা করেন। এই বেঙ্গল কেমিকলস হল ভারতের প্রথম ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি । আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় 1861 সালের 2 আগস্ট বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির যশোর জেলার জন্মগ্রহণ করেন এবং 16 জুন 1944 তারিখে 82 বছর বয়সে কলকাতায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন

আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়: ভারতীয় রসায়নের জনক ও এক মনীষী Read More »

প্যারীচাঁদ মিত্র

প্যারীচাঁদ মিত্র: বাংলা ভাষায় প্রথম ঔপন্যাসিক ও ভাষাবিদ

প্যারীচাঁদ মিত্র : বাংলায় প্রথম ঔপন্যাসিক প্যারীচাঁদ মিত্র ছিলেন বাংলার নবজাগরণের অন্যতম একটি স্তম্ভ। একজন ভাষাবিদ্রোহী, নিবেদিত সমাজকর্মী, নিষ্ঠাবান সংগঠক, নব আকাঙ্ক্ষালব্ধ সাহিত্যিক এবং নির্ভীক সাংবাদিক ছাড়াও বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী ছিলেন প্যারীচাঁদ মিত্র। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক। প্যারীচাঁদ মিত্র ১৮১৪ সালের ২২শে জুলাই কলকাতার এক বণিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম রামনারায়ণ মিত্র।

প্যারীচাঁদ মিত্র: বাংলা ভাষায় প্রথম ঔপন্যাসিক ও ভাষাবিদ Read More »

বিধানচন্দ্র রায় : বাংলার রূপকার হয়ে ওঠার কাহিনী

বিধানচন্দ্র রায় : বাংলার রূপকার হয়ে ওঠার কাহিনী

বিধান রায়ের নাম করলে কোন পরিচয়টি আগে মনে আসে? চিকিৎসক, না কি বাংলার রূপকার মুখ্যমন্ত্রী? এককথায় তা বলা বোধহয় একটু কঠিন। আসলে বিধানচন্দ্র রায় ছিলেন এমনই এক ব্যক্তিত্ব যাঁর একটি পরিচয় কখনও অন্যটিকে আড়াল করতে পারেনি। তিনিও সচেতন ভাবেই নিজেকে দু’দিকে মেলে ধরেছেন। তবু হয়তো চিকিৎসক পরিচয়ের প্রতি একটু বেশিই ‘পক্ষপাতিত্ব’ ছিল তাঁর। তাই মুখ্যমন্ত্রী

বিধানচন্দ্র রায় : বাংলার রূপকার হয়ে ওঠার কাহিনী Read More »

স্বামী অভেদানন্দ

স্বামী অভেদানন্দ – ( ২ অক্টোবর ১৮৬৬ – ৮ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ )

১২৭৩ বঙ্গাব্দের ১৭ আশ্বিন (ইংরেজি ২ অক্টোবর ১৮৬৬) কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। বাবার নাম রসিকলাল চন্দ ও মা নয়নতারা। তাঁর নাম রাখা হয় কালীপ্রসাদ। প্রথমে একটি সংস্কৃত বিদ্যালয়ে তিনি পড়েছিলেন ও পরে ১৮ বছর বয়সে ওরিয়েন্টাল সেমিনারি থেকে এন্ট্রান্স পাশ করেন। ছেলেবেলা থেকেই ধর্মে তাঁর প্রগাঢ় অনুরাগ ছিল। যৌবনের শুরুতে হিন্দুশাস্ত্রাদি পাঠের সঙ্গে সঙ্গে রেভারেণ্ড ম্যাকডোরেণ্ড,

স্বামী অভেদানন্দ – ( ২ অক্টোবর ১৮৬৬ – ৮ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ ) Read More »

সত্যেন্দ্রনাথ বসু : গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞানী

সত্যেন্দ্রনাথ বসু : বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চা

সত্যেন্দ্রনাথ বসু আলবার্ট আইনস্টাইনের সঙ্গে যৌথভাবে বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান প্রদান করেন, যা পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার বলে বিবেচিত হয়। ছাত্রজীবনে অত্যন্ত মেধাবী সত্যেন্দ্রনাথ কর্মজীবনে সংযুক্ত ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্বভারতী ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে। তিনি সান্নিধ্য পেয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রফুল্লচন্দ্র রায়, মেরি ক্যুরি প্রমুখ মনীষীর। আবার অনুশীলন সমিতির সঙ্গে প্রত্যক্ষ সম্পর্ক ও স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র বিপ্লবীদের সঙ্গে

সত্যেন্দ্রনাথ বসু : বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চা Read More »

রাজা রামমোহন রায়

রাজা রামমোহন রায়

বাংলাদেশের তথা ভারতবর্ষের প্রথম আধুনিক অগ্রদৃষ্টিমান চিন্তানায়ক ও কর্মনেতা। জন্ম আধুনিক হুগলি (তখনকার বর্ধমান) জেলার আন্তর্গত রাধানগর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত কুলীন (বন্দোপাধ্যায়) ব্রাক্ষ্মণবংশে। প্রপিতামহ কৃষ্ণকান্ত ফারুখশিয়ারের আমলে বাংলার সুবেদারের আমিনের কার্য করতেন। সেই সুত্রেই বোধ করি এদের ‘রায়’ পদবীর ব্যবহার। কৃষ্ণকান্তের কনিষ্ঠপুত্র ব্রজবিনোদ রামমোহনের পিতামহ। পিতা রামকান্ত। রামকান্তের তিন বিবাহ। মধ্যমা পত্নী তারিণীর এক কন্যা

রাজা রামমোহন রায় Read More »

স্বামী বিবেকানন্দ

স্বামী বিবেকানন্দ

সন্ন্যাস জীবনে স্বামী বিবেকানন্দ নামে পরিচিত নরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৬৩ খ্রীষ্টাব্দের ১২ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা কলকাতার সিমুলিয়া পল্লীর বিশ্বনাথ দত্ত এবং মা ভুবনেশ্বরী দেবী। তিনি মার কাছে শেখেন স্বধর্ম, বাবা পরিচয় করিয়ে দেন এক উদার সংস্কৃতির সঙ্গে। সাধারণ বিদ্যাশিক্ষার সঙ্গে তিনি সঙ্গীত ও ব্যায়ামেও পারদর্শী হন। যৌবনে তিনি ব্রাক্ষ্মসমাজ ও পাশ্চাত্য দর্শনের প্রতি আকৃষ্ট

স্বামী বিবেকানন্দ Read More »

প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ

প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ

বিশ্বের বিজ্ঞান জগতে একটি বিশিষ্ট নাম-প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ। জন্ম কলকাতায় ১৮৯৩ খ্রীষ্টাব্দে ২৯ জুন তারিখে। ১৯০৮ সালে কলকাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্ট্রান্স পরীক্ষা পাশ করেন ও ১৯১২ সালে প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে স্নাতক হন। ইংলণ্ডে যান উচ্চশিক্ষার জন্য। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞানে ট্রাইপস লাভ করে বিখ্যাত ক্যাভেনডিশ ল্যাবরীটরিতে গবেষণা করার সুযোগ পান পদার্থ বিজ্ঞানে।

প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ Read More »

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শেষ জীবন

ত্রীর শ্রাদ্ধেও বাড়ি যাননি তিনি। ছেলেকে করেছেন ত্যাজ্য। বাবা কাশীবাসী। মা সেখানেই কলেরায় মারা গিয়েছেন। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শেষ জীবন এ রকমই। গত ২৯শে জুলাই ২০১৭ ছিল তাঁর মৃত্যুর ১২৬ বছর। সাল ১৮৭৫, তারিখ ৩১ মে। অভিমানে ক্ষতবিক্ষত এক জন আমহার্স্ট স্ট্রিটের ৬৩ নম্বর বাড়িতে দোতলার একটি ঘরে বসে গভীর রাতে নিজের হাতে লিখছেন তাঁর ইচ্ছাপত্র বা

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শেষ জীবন Read More »

Scroll to Top